Dhaka, Bangladesh

Do I really wanna be that fool in a marriage?

blog_fool_marriage

মাঝেমধ্যে এমন হয়না,বর জীবনেও যে কাজ করেনা,হুট করে করে ফেললো?
ভালো কাজ -ই।

এই ধরেন,কখনোই খেতে বসার সময় আপনাকে জিজ্ঞেস করেনা আপনার খাওয়া হয়েছে কি-না।নিজের খাওয়া সেরে টেরে উঠে চলে যায় নির্বিকারভাবে।

সেই মানুষ হুট করে একদিন খুব যত্ন নিয়ে(কিংবা ক্যাজুয়ালিই) জিজ্ঞেস করলো,’তুমি খেয়েছো?’

আমরা কিভাবে রিএক্ট করি এসব ক্ষেত্রে?

প্রথমেই ‘অভিমান’ নামক অনুভূতি ট্রিগার খায়,এরপর আসে অভিযোগ আর নেগেটিভ রিএকশন।
টুক করে এমন একটা কথা বা কাজ করি যে, আচরণ থেকেই প্রকাশ পায় এই জিজ্ঞেস করাটা আমার খুশির কারণ না হয়ে বরং নেগেটিভ ইমোশন ট্রিগারিং হয়েছে।ঠেস দিই,খোঁচা দিই(মজার ছলে হলেও),ক্রিটিসাইজ করি,সে যে কখনোই কাজটা করেনা সেটা মনে করিয়ে দিই।

ফলাফল কি দাঁড়ায়?
জিন্দেগিতেও আর এই প্রশ্ন করার সাহস বা ইচ্ছে বর মহাশয়ের আর হয়না।ওদিকে আমাদেরও অভিমান জমতে জমতে হতাশার দেয়াল উঠে যায়।

এমন ব্যাপার যে-কোনো ক্ষেত্রেই কিন্তু হয়!

কখনোই না করা একটা কাজ,যে কাজটা করা হয়তো খুব স্বাভাবিক এবং এক্সপেক্টেড,কিন্তু কখনো করেননি তিনি;সেই কাজটা একদিন কিছু না ভেবেচিন্তেই হয়তো করে ফেললেন,সেদিনের রিএকশনটাই অনেককিছু বদলে দেয়।

কেমন হয় যদি আমরা ব্যাপারটাকে ১৮০° এংগেলে ঘুরিয়ে দিই?যদি অভিমানটাকে এক সাইডে রেখে,অভিমানের কারণটাকে গোড়া থেকেই সর্ট করে ফেলার সুযোগ নিই?

যদি নিজের উচ্ছ্বাস, আনন্দটা প্রকাশ করি তার সেই কাজে।হতে পারে পকেট মানি দিলো কিংবা ‘সাবধানে যেও’-র মত সাধারণ(!) কিছুই বললো বা স্বাভাবিক একটা ভালো আচরণই করলো/ঝগড়ার মুহূর্তে রাগ সামলে নিলো বা যেএএএএকোনো কিছুই……জাস্ট নিজের আনন্দটা যদি প্রকাশ করি?উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাই যদি কাজটাকে?এপ্রিশিয়েট করি যদি অতীতটাকে না টেনে?কাজটা আমাকে কতটা আনন্দিত করলো,যদি জানাই তাকে?

কেমন হয়?

কেমন হয় দেখার জন্যে কাজটা করতে হবে।

Trust me, পুরুষজাতির(টিকটক ব্যাটা না -_- আসলেই পুরুষ, I meant) সবচেয়ে বড় উইকনেসগুলোর একটা(কিংবা একমাত্র) স্ত্রীর চোখে হিরো হওয়া।
মুখে যে যত বড় বুলি ঝাড়ুক,স্ত্রী তাকে হিরো ভাবে,এটুকু যদি সে ফীল করে, নিজেকে বদলানোর জন্যে এরচেয়ে বড় কোনো মোটিভেশন তার সত্যিই লাগবেনা।
স্পাউসের চোখে হিরো হওয়া মানে কি?স্পাউস তাকে এপ্রিশিয়েট করে,তাকে সম্মান করে,তার ভালো কাজগুলো পজেটিভলি নেয়,খারাপগুলো শোধরানোর জন্যে ব্যাকুল না হয়ে খুব পোলাইটলি দৃষ্টিআকর্ষণ করে(not always) এই বিশ্বাস নিয়ে যে-সে নিজেই ব্যাপারটা ঠিক করে ফেলবে/ফেলতে পারবে,তার ছোট থেকে ছোট ভালো দিকও প্রচণ্ড এপ্রিসিয়েশন পায়,ইম্প্যাক্ট ফেলে স্পাউসের ওপরে,যেকোনো পরিস্থিতিতেই স্পাউস তার ওপর ভর‍সা করে,বিশ্বাস করে…….
এইতো!!

ক্রিটিসিজমটাকে সাইডে রেখে এপ্রিসিয়েশনের গুটিটা বোর্ডে নামান।
এই একটা স্টেপ গেম চেঞ্জার হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ ,trust me!

© Tania Noshin Faruque

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook
Telegram